Breaking News
Home / Health / আলট্রাসনগ্রাম ছাড়াই যেভাবে জানবেন গর্ভের শিশু ছেলে নাকি মেয়ে

আলট্রাসনগ্রাম ছাড়াই যেভাবে জানবেন গর্ভের শিশু ছেলে নাকি মেয়ে

জেনে নিন, আলট্রাসনগ্রাম ছাড়াই যেভাবে জানবেন গর্ভের শিশু ছেলে নাকি মেয়ে! বিস্তারিত- শিশুটি ছেলে না কি মেয়ে হবে? গ’র্ভবতী না’রীদের সঙ্গে তার ব’ন্ধুরা বা আত্মীয়রা কথা বলার স’ময় অবশ্যই জিজ্ঞেস করেন, এটি প্রায় সকলের জন্য একটি মজাদার

বি’ষয় হয়ে দাঁ’ড়ায়। মা-বা’বারও জানার আগ্রহের কমতি থাকে না। তবে ২০ সপ্তাহের আগে শিশুটির লি’ঙ্গ স’ম্পর্কে ডাক্তার জানাতে পারেন না। ২০ সপ্তাহ তো অনেক স’ময়, একটু চে’ষ্টা করলেই আগে জানা যায়।

অনেক মায়েরাই তাদের গর্ভের স’ন্তান স’ম্পর্কে আলট্রাসনগ্রাম করার আগেই জানতে পারেন। কিন্তু, কীভাবে তা স’ম্ভব হয়, আজ আ’পনারাও তা জেনে নিন-

১. কোন খাবারের প্রতি আ’পনার আকর্ষণ? বেশিরভাগ না’রী গর্ভাবস্থায় হরমোন ভা’রসাম্যহীনতায় ভোগে। যার ফলে তাদের মাঝে বিভিন্ন কিছু খাওয়ার প্রবল ইচ্ছা জাগে।

আ’পনার ক্ষুধিত খাদ্য টাইপ আ’পনার গর্ভস্থ শিশুর লি’ঙ্গ নির্ধারণ করতে পারে। আ’পনার যদি মিষ্টি বা চিনিযুক্ত খাবার ইচ্ছা হয়, তাহলে স’ম্ভবত মেয়ে হবে আর যদি নিমকি এবং মসলাদার খাবার খাওয়ার ইচ্ছা

হয়, তাহলে ছেলে হতে পারে। ২. পেটে স’মস্যা হচ্ছে কি? স’মীক্ষায় দেখা গেছে, যাদের গর্ভাবস্থায় সকালে হালকা বমি বা অন্য কোন স’মস্যা হয় নি তাদের ছেলে হয়েছে। তবে, শিশুটি মেয়ে

হলে পেটে ব্যথার সৃষ্টি হয় এবং সকালে শারীরিক অসু’স্থতা বেশি বৃদ্ধি পায়

৩. পেটের অবস্থান: গর্ভাবস্থায় পেট বেশি ভা’রী মনে হলে, মেয়ে শিশু হবে। আর যদি ভা’র কম অনুভূত হয় তাহলে ছেলে হবে। শিশুটি যদি পেটের ডানদিকে আছে বলে মনে হয়, তাহলে মেয়ে হবে। আর যদি স’মস্ত পেট জুড়ে বা বামদিকে অনুভূত হয় তাহলে ছেলে হবে।

৪. হার্টবিট রেট: ডাক্তারের নিকট চেকআ’পের স’ময়, যখন ডাক্তার আ’পনার গর্ভস্থ শিশুর হৃদস্পন্দন পরীক্ষা করেন তখন লক্ষ্য রাখু’ন, হৃদস্পন্দনের রেট কত। হৃদস্পন্দন যদি 140 BPM এর বেশি অথবা স’মা’ন হয়, তাহলে শিশুটি মেয়ে। আর যদি হৃদস্পন্দনের রেট এর কম হয়, তাহলে গর্ভস্থ শিশুটি ছেলে হবে।

৫. ব্রেকআউট:

গর্ভাবস্থায় আ’পনার ত্বকে কি ব্রণ বা অন্য কোন স’মস্যা হচ্ছে, যা আ’পনার সৌন্দর্য নষ্ট করছে? তাহলে অবশ্যই আ’পনার মেয়ে হবে। আগের দিনের মা’নুষ বলত, মেয়ে শিশুরা মায়ের সৌন্দর্য চুরি করে, তাই মায়ের চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হয়। যদিও তা কুসংস্কার।

৬. রিং টেস্ট: একটি আংটি নিয়ে সুতার সাথে বেঁধে নিন। তারপর আ’পনি শুয়ে আ’পনার পেটের উপর আংটিটি ঝুলিয়ে দিন। এবার আংটিটির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করুন। যদি আংটিটি আ’পনার মাথা ও পায়ের দিকে স’মা’ন স’মা’ন দুলতে থাকে, তাহলে আ’পনার মেয়ে হবে। আর যদি রিংটি গোল গোল ঘুরতে থাকে তাহলে আ’পনার ছেলে হবে।

৭. শিশুদের উপদেশ নিন: গর্ভাবস্থায় থাকা অবস্থায় অনেক আ’পনজনেরা পেটের সাথে কান লাগিয়ে শিশুটিকে অনুভব করতে চায়। অনেক ছোট ছোট শিশু আছে, যারা পেটের সাথে কান লাগিয়ে কথা বলতে চায়।

সেক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখু’ন, যদি কোন ছেলে শিশু আ’পনার পেটে কান লাগিয়ে বারবার শিশুটিকে অনুভব করতে চায়, তাহলে আ’পনার মেয়ে হবে। আর যদি কোন মেয়ে শিশু এ কাজটি করে, তাহলে আ’পনার ছেলে শিশু হবে। এই বি’ষয়গুলো লক্ষ্য করলে আ’পনি ডাক্তার বলার আগেই বুঝতে পারবেন, কে আসছে আ’পনার জী’বনে। তাহলে আগে থেকেই তার

জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবেন। যেমন- মেয়ে হলে স’বকিছু গোলাপি আর ছেলে হলে নীল। ছেলে ও মেয়ের মাঝে কোন ভেদাভেদ নেই। তবে, জানার আগ্রহ ও কৌতূহল আবি’ষ্কারের জন্য এই পদ্ধতি।

About admin

Check Also

প্রাকৃতিক উপায়ে কমান পেটের অতিরিক্ত চর্বি

পেটের অতিরিক্ত চর্বি বা ফ্যাটি লিভার স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। অতিরিক্ত চর্বির কারণে শরীরে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *